কি খাওয়ালে কবুতর তারাতারি ডিম দেয়, কবুতরের ডিম পাড়ার জন্য ভিটামিন, শর্করা এবং
শুকনো দানাদার জাতীয় খাবার খাওয়ানো খুবই প্রয়োজন। আমাদের দেশে প্রায় অনেক
রকমের কবুতর দেখা যায় তাদের শর্করা, ভিটামিন এবং শুকনো জাতীয় খাবার সকল কবুতরের
জন্য প্রয়োজন। এই সব খাবারের পাশাপাশি ডিমের খোসা এবং লাল মাটি ইত্যাদি এসব
খাবার খাওয়ালে কবুতর তাড়াতাড়ি তাড়াতাড়ি ডিম দেয়।
শুধু খাবার খাওয়ালেই হবে না খাবারের পাশাপাশি কবুতরের ভালো করে যত্ন নিতে হবে
এবং প্রতিদিন নিয়মিত তাদের পানি খাওয়াতে হবে। কবুতর পালনে খুব সহজেই অনেক
লাভজনক হওয়া যায়। শুধু কবুতর পালন করলেই হবে না তাদের অনেক যত্ন করতে
হবে। কি খাওয়ালে কবুতর তাড়াতাড়ি ডিম দেয় এই সম্পর্কে আজ আমরা আলোচনা
করব।
পোস্ট সূচিপত্রঃ কি খাওয়ালে কবুতর তারাতারি ডিম দেয়।
কবুতরকে ভিটামিন এবং শর্করা জাতীয় খাবার খাওয়াতে হবে
শুকনো জাতীয় খাবার যেমন গম, ধান, ভুট্টা ইত্যাদি
ডিমের খোসা গুড়া করে খাওয়ানো
লাল মাটিতে অনেক পুষ্টি পাওয়া যায়
ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খাওয়ানো
নিয়মিত কবিতরকে সঠিকভাবে পানি খাওয়ানো
কবুতর পালন করার প্রক্রিয়া
কি খাওয়ালে কবুতর তারাতারি ডিম দেয়, সাধারণত বিভিন্ন ধরনের যাদের কবুতর
গ্রাম অঞ্চলে বেশি দেখা যায়৷ কবুতর পালন করার জন্য বেশি খরচ করতে হয় না খুব
অল্প খরচে কবুতর পালন করা যায়৷ কবুতর পালন করার সুবিধা হল এটা খুব সহজে অল্প
সময়ে বাজারজাত করা যায় এবং এতে অনেক পরিমাণ লাভও হয়৷ ঘরের বাইরে ভেতরে যেখানে
সেখানে কবুতর পালন করা যায় কিন্তু মাটিতে কবুতর পালন করা যায় না,
তার কারণ হলো কবুতরের জন্য মাটিতে অনেক বিপদ রয়েছে৷ মাটিতে কবুতর পালন করলে
বিভিন্ন রকমের মাংস চাষে পানি তাদের ওপর আক্রমণ করতে পারে এবং সাপও আক্রমণ করতে
পারে৷ সাধারণত কবুতরের ঘরের জন্য একটা বাঁশ তার সাথে চার থেকে পাঁচটা ছোট কাটের
অংশ হলে একটা কবুতরের ঘর বানানো যায়৷ কবুতর পালনে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে
বাজারজাতকরণ করা যায়
কবুতরের বাচ্চা কতদিন পর বাজারজাতকরণ করা যায়
সাধারণত সকল যাতে কবুতর এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে বাজারজাতকরণ করা যায়৷ কবুতরের
ডিম থেকে বাচ্চা পোটার পর শর্করা ভিটামিন এবং শুকনো দানাদার জাতীয় খাবার এইসব
জাতীয় খাবার যত খাওয়ানো সম্ভব তত তাড়াতাড়ি কবুতরের বাচ্চা বৃদ্ধি হয় এবং
তাড়াতাড়ি বাজারজাতকরণ করা যায়৷
কবুতরের বাচ্চা বাজারে অনেক বেচাকিনা হয় এবং অনেক মানুষ কবুতরের বাচ্চা পালন
করার জন্য নিয়ে যায় আবার অনেক মানুষ খাওয়ার জন্য নিয়ে যায়৷ কবুতরের বাচ্চার
ভেতরে অনেক ধরনের ভিটামিন পাওয়া যায় তার বেশিরভাগ মানুষ কবুতরের বাচ্চা খেয়ে
থাকে যাতে রোগ মুক্ত থাকা যায়৷ কবুতর পালন করা খুবই সহজ এটা অনেক লাভজনক
ব্যবসা৷
কবুতর পালনের সুবিধা
কবুতর পালন করার জন্য বেশি জায়গা দরকার হয় না খুব অল্প জায়গা হলেই যথেষ্ট এবং
কবুতর পালন করা খুবই সহজ৷ কবুতরের ঘর করার জন্য বেশি টাকার প্রয়োজন হয় না
সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে কবুতরের ঘর কিনা বা অল্প টাকার মধ্যে বানানো
যায়৷ কবুতর পালনে অনেক সুবিধা আছে, খুব অল্প সময় বেচাকেনা করা যায়৷
কবুতরের খাবারের দামও অত বেশি না এবং বেশিরভাগ কবুতর বাইরে কীটপতঙ্গ এবং শুকনো
দানাদার জাতীয় খাবার কুড়িয়ে খায়৷ কবুতর এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে ডিম পাড়ে
এবং অনেক কবুতর আছে যে জাতির কবুতর এক মাসের মধ্যেই ডিম দেয়৷ আপনি যদি
কবুতর ব্যবসায় লাভবান হতে চান তাহলে এরকমভাবে কবুতর পালন করতে পারেন৷
কবুতর পালনে লাভজনক হওয়া
বর্তমান সময়ে খুব অল্প সময়ে লাভজনক হওয়া যায় এই কবুতর পালন করে৷ সব জাতের
কবুতর এই এক থেকে দেড় মাস পর পর ডিম দেয় এবং কবুতরের ডিম থেকে ২১ দিন থেকে ২৩
দিনের মাথায় কবুতরের ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়৷ তার এক থেকে দেড় মাসের
মধ্যে কবুতরের বাচ্চা বাজারজাতকরণ করার জন্য একদম প্রস্তুত হয়ে যায় ফলে খুব
সহজেই ব্যাথায় লাভজনক হওয়া যায়৷
যে ব্যবসাগুলো করলে খুব অল্প সময়ে লাভজনক হওয়া যায় তার মধ্যে এটি একটা হলো
কবুতর পালন করা৷ এতে কোন ভারী লস হয় না, কবুতর পালনে বেশি টাকা খরচ হয় না,
কবুতরের কোন রোগ হলে বেশি টাকা খরচ করতে হয় না তাই এই ব্যবসাটা অনেক
লাভজনক৷
গ্রাম অঞ্চলে বেশিরভাগ মানুষের এই ব্যবসায় জড়িত যার কারণ হলো গ্রাম অঞ্চলে
কবুতরদের বেশি খাবার দেওয়া লাগে না তারা বিভিন্ন জমি থেকে অনেক ধরনের খাবার এবং
কীটপতঙ্গ‐পোকামাকড় ইত্যাদি খেয়ে আসে তাই বেশি খাবারের উপর খরচ করতে লাগে না৷
বর্তমান সময়ে ব্যবসা করে লাভজনক হওয়া খুব সহজ৷
আরও পড়ুনঃকি খাওয়ালে কবুতর তারাতারি ডিম দেয়
কবুতর কোন কারণে ঘন ঘন ডিম দেয় না
কবুতর ঘন ঘন ডিম দেওয়ার কারণ হলো তাদের সঠিক পরিচর্যা করা হচ্ছে না, তাদের
সঠিক পরিমাণ শর্করা, পুষ্টি, ভিটামিন এবং শুকনো দানাদার জাতীয় খাবার সঠিকমতো
দেওয়া হচ্ছে না ইত্যাদি এসব কারণে কবুতর ঘন ঘন ডিম দেয় না৷ কবুতরের যদি
ভালো করে পরিচর্যা করা হয় এবং ভালো খাবার খাওয়ানো হয় তাহলে কবুতর অবশ্যই ঘন ঘন
ডিম দেবে৷
আবার অনেক জাতের কুকুরগুলো আছে তারা অনেক দিন পর পর ডিম দেয় কেমন
দেশি কবুতর, জংলি কবুতর ইত্যাদি৷ সাধারণত এইসব কারণে কবুতর ঘন ঘন ডিম দিতে
পারে না তাই আমাদের খেয়াল রাখতে হবে এবং সঠিকভাবে পরিচর্যা এবং প্রয়োজনীয়
খাদ্য খাওয়াতে হবে৷ আমরা যদি কবুতরকে ঠিক এরকম ভাবে সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে পারি
তাহলে কবুতর ঘন ঘন ডিম দেবে৷
কোন সময় কবুতর পালন করা অনেক কষ্ট হয়
বর্ষাকালে কবুতর পালন করে অনেক অসুবিধে হয় তার কারণ হলো চারিদিকে পানিতে ডুবে
যায়৷ এই সময় জমি শুকনো জায়গা এবং সব ভিজে এবং পানিতে ডুবে যায় সেই সময় কবুতর
কীটপতঙ্গ বিভিন্ন দানাদার জাতীয় খাবার খেতে পারে না৷ বর্ষাকাল সময় কবুতর এবং
কবুতরের খুব কম হয় তাই ওই সময় কবুতর ব্যবসায়ীদের জন্য অনেক লস হয়ে
থাকে৷
বর্ষাকালে কবুতরের জন্য বাইরে চলাফেরা করে অসুবিধা হয় এবং সব সময় তাদের ঘরের
মধ্যে থাকতে হয়৷ বর্ষাকালে কবুতরদের জন্য বেশি খাবারের ব্যবস্থা করতে হয় তার
কারণ সেই সময় তারা বাইরে কোন খাবার খেতে পারে না তাই তাদের ঘরে বেশি করে খাবার
দিয়ে রাখতে হবে৷ যাতে কবুতরের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটলে বাচ্চার খাবারের অভাব না
হয়৷
কোন জাতের কবুতর বেশি ডিম দেয়
সাধারণত কম বেশি সব কবুতরের ডিম দেয় সেইসব জাতের মধ্যে অনেক কবুতর আছে যারা খুব
ঘন ঘন ডিম দিয়ে থাকে৷ যেমন গোলা কবুতর, গিরিবাজ কবুতর, মুখশি কবুতর ইত্যাদি
এসব জাতির কবুতর খুব ঘনঘন ডিম দিয়ে থাকে৷ যে জাতের কবুতর হোক তাদের সঠিকভাবে
পুষ্টির, শর্করা, ভিটামিন এবং শুকনো দানা দাজার জাতীয় খাবার না দিলে যে কোন
কবুতরের ডিম দেবে না৷
সব কবুতরদের মধ্যে দেশী জাতির কিছু কিছু কবুতর খুব কম দিয়ে থাকে তার কারণ হলো
তাদের সঠিকভাবে খাওয়ানো হয় না৷ কবুতরকে ভালো ভিটামিন, শর্করা এবং দালাদা জাতীয়
খাবার খাওয়ানো উচিত যাতে তারা ঘনঘন ডিম দিতে পারে৷
বেশিরভাগ কবুতরের কি ধরনের রোগ হয়
সাধারণত কবুতরের অনেক রোগ দেখা যায় যেমন রানীক্ষেত, সর্দি, মুখ দিয়ে
পানি বের হওয়া, চোখের সামনে স্পট পড়া, পা দুর্বল হয়ে যায় ইত্যাদি বেশিরভাগ
কবুতরদের এই রোগ হতে দেখা যায়৷ এইসব রোগ হওয়ার কারণ তাদের সঠিক পরিচর্যা এবং
সঠিকভাবে খাবারের অভাব তাই তাদের এসব রোগে দেখা যায়।
সঠিকভাবে তাদের পরিচর্যা এবং সঠিকভাবে তাদের যদি খাওয়ানো হয় তাহলে খুব কম তাদের
রোগ দেখা যাবে৷ আবার শীতকালের সময় বেশিরভাগ কবুতরদের সর্দি, মুখ দিয়ে পানি পড়া
ইত্যাদি এইসব রোগ দেখা যায়৷ ডাক্তারের থেকে পরামর্শ নিয়ে তাদের ওষুধ খাওয়াতে
হবে যেন পরবর্তী সময় এ ধরনের রোগ না হতে পারে৷
কোন খাবারে কবুতরের বেশি ক্ষতি হয়
সাধারণত কৃত্রিম জাতীয় খাবার এবং চর্বি জাতীয় খাবার কবুতরের জন্য ক্ষতিকর যেমন
কৃত্রিম ফিড, পচা দানাদার জাতীয় খাবার, পেঁয়াজ‐ রসুন, মসলা জাতীয় খাবার, যে
কোন ধরনের কাঁচা খাবার, ছত্রাক জাতীয় খাবার, মিষ্টি জাতীয় খাবার ইত্যাদি এইসব
খাবার কবুতরের জন্য অনেক ক্ষতি হয়৷ আমাদেরকে সাবধান থাকতে হবে এসব খাবার কে
কবুতরদের কে ধরে রাখা তাদেরকে ভালো করে খেয়াল রাখতে হবে যেন কোন সমস্যা না
হয়৷
এইসব খাবার কবুতরকে যত খাওয়ানো যাবে কবুতরের জন্য তত ক্ষতি হবে। কবুতর থেকে যদি
লাভজনক ব্যবসা করতে চান তাহলে এ ধরনের খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে তাহলে কবুতরের
কোন ধরনের রোগ হতে দেখা যাবে না।
কবুতর কোন কোন কারণে দুর্বল হয়ে যায়
কি খাওয়ালে কবুতর তারাতারি ডিম দেয়, সাধারণত কবুতর দুর্বল হওয়া অনেক কারণ আছে
যেমন পুষ্টি, শর্করা, ভিটামিন এবং শুকনো দানাদার জাতীয় খাবার না খাওয়ার কারণে
কবুতর সেই দুর্বল হয়ে যায়। আবার বিভিন্ন ধরনের কাঁচা খাবার, তেল জাতীয় খাবার,
কৃত্তিম জাতীয় খাবার, মসলা জাতীয় খাবার ও কাঁচা দানাদার খাবার ইত্যাদি এসব
খাবার খাওয়ানোর ফলে কবুতর দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
এইসব খাবার খাবানোর ফলে কবুতরের পায়ে সমস্যা দেখা যাবে, পাখায় সমস্যা হবে এবং
শেষে কবুতর নিজে চলাফেরা করতে পারবেনা। কবুতরের জন্য যত পুষ্টিকর এবং ভিটামিন
জাতীয় খাবার খাওয়ানো যাবে তত পরিমাণ কবুতরের জন্য ভালো। আমাদের সচেতন এবং
খেয়াল রাখতে হবে কবুতর যেন দুর্বল না হয়।
কবুতরের কোন খাবারে ভিটামিন বেশি পাওয়া যায়
কি খাওয়ালে কবুতর তারাতারি ডিম দেয়, সাধারণত পুষ্টি, শর্করা ভিটাবেল ভিটামিন
এবং শুকনো দানাদার জাতীয় খাবারের বিভিন্ন রকমের ভিটামিন পাওয়া যায়। তার মধ্যে
রয়েছে ডিমের খোসা, লাল মাটির গুঁড়া, ঝিনুকের গুড়া ইত্যাদি এসব খাবারে প্রচুর
পরিমাণে ভিটামিন পাওয়া যায়। তারপর ধান, গম, ভুট্টা বিভিন্ন ধরনের দানাদার খাবার
ইত্যাদি এসব খাবারেও প্রচুর পরিমানে ভিটামিন পাওয়া যায়।
এইসব ভিটামিন জাতীয় খাবার কবুতরকে যত খাওয়াবেন কবুতর তত খুব ঘন ঘন ডিম দিবে।
এবং আপনি দ্রুত কবুতর পালনে লাভ করতে পারবেন। কবুতরকে যদি বিভিন্ন ধরনের রোগ থেকে
বাঁচাতে চান তাহলে খারাপ খাবার থেকে দূরে রাখতে হবে। যদি এই নিয়মগুলো অনুসরণ
করতে পারেন তাহলে কবুতরকে বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত রাখা যাবে
আরও পড়ুনঃকি খাওয়ালে কবুতর তারাতারি ডিম দেয়
কি খাওয়ালে কবুতর তাড়াতাড়ি ডিম দেয়
সাধারণত পুষ্টি, শর্করা, ভিটামিন এবং শুকনো দানাদার জাতীয় খাবারের বিভিন্ন
রকমের ভিটামিন পাওয়া যায়। তার মধ্যে রয়েছে ডিমের খোসা, লাল মাটি গুড়া,
ঝিনুকের গুড়া ইত্যাদি এইসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন পাওয়া যায়।
তারপর ধান, গম, ভুট্টা, বিভিন্ন ধরনের দানা তার খাবার ইত্যাদি এসব খাবারও
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন পাওয়া যায়
কবুতর কত মাস বয়সে ডিম দেয়
সাধারণত কবুতর ৭ থেকে ৮ মাস এর মধ্যে ডিম দিয়ে থাকে।
কবুতরের ডিম নষ্ট হওয়ার কারণ
ডিম নস্ট হওয়ার পেছনে অনেক কারন আছে যেমন পুষ্টি, শর্করা, ভিটামিন এবং
দানাদার জাতীয় এই ধরনের খাবার খাওয়াতে হবে। আর ডিমে ভালো করে টাও না দিলে
নস্ট হয়ে যেতে পাড়ে।
কবুতরের বাচ্চা কত দিনে খাওয়া যায়
সাধারণত কবুতরের বাচ্চা এক থেকে দেঢ় মাস বয়স হলে খাওয়া যায়।
গিরিবাজ কবুতর কত দিনে ডিম দেয়
সাধারণত গিরিবাজ কবুতর ছয় থেকে আট মাস পরে ডিম দিয়ে থাকে। আর গিরিবাজের ডিম
থেকে বাচ্চা ফোটতে প্রায় ১৮ থেকে ২২ দিন সময় লাগে।
শেষ কথা
কি খাওয়ালে কবুতর তারাতারি ডিম দেয়, কবুতরের চেয়ে একটি ছোট পানি নয় এটা আমাদের
পরিবেশের একটা ছোট অংশ ,ভালোবাসা এবং সৌন্দর্যের প্রতীক। আমাদের সকলেরই খেয়াল
রাখা উচিত দেশের ছোট প্রাণীদের কোন অসুবিধা যেন না হয়। কবুতর অনেকের শখ করে পালন
করে থাকেন আবার অনেকে ব্যবসা করার জন্য কবুতর পালন করেন।
কবুতর পালন করার জন্য অনেক ধৈর্য দরকার তার কারণ হলো কবুতর সব জায়গায় টিকে না
বেশিরভাগ কারণেই কবুতর সঠিক মত না দেখার জন্য বৃদ্ধি হয় না ফলে অনেকে এতে ব্যর্থ
হয়ে যায় তাই এই কবুতর পালনের ধৈর্য দরকার। আমরা যদি কবুতর ভালো লাভ করতে চাই
তাহলে আমাদের এই দিকগুলো সঠিক মত অনুসরণ করতে হবে তাহলে আমরা খুব সহজেই কবুতর
পালনে সফল হতে পারব।
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও ক্রিয়েটিভ বাংলা আইটির অনার ।
তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন।
১ বছরের অভিজ্ঞতায় অনলাইনে কাজ করে যাচ্ছেন।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url